সৌন্দর্য সচেতন নারীদের কাছে মেকআপ খুব জরুরি একটা জিনিস। সারা বছর ধরেই কম বেশি সবাই অনেক রকমের মেকআপ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা অনেক কিছুই নজরে রাখি বটে তবুও আমরা ভুলে যাই যে আমাদের পুরনো মেকআপ ফেলে দেবার সময় এসে গেছে। অনেকেই আছি যারা অনেক বছর ধরে একই পুরনো মেকআপ ব্যবহার করে যাই। কিন্তু নিজেদের অজান্তেই আমরা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য ডেকে আনছি অজানা বিপদ। এটা খুবই কঠিন নিজের প্রিয় বা প্রিয় লিপস্টিক ফেলে দেওয়া। কিন্তু এটা বুঝতেই হবে যেসব মেকআপ ওয়াটার বেসড যেমন ফাউন্ডেশন, আই লাইনার ইত্যাদি সেগুলো ইনফেকশন হবার সম্ভবনা আরও বাড়িয়ে দেয় কারণ পানিতে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে থাকে। তাই পাউডার বেসড মেকআপ কিন্তু সেদিক থেকে কম রিস্কি। যদিও সব মেকআপ প্রোডাক্টেরই একটা এক্সপায়ারি ডেট আছে তবুও আগে থেকে সাবধান হওয়া অনেক ভালো। তাহলে দেখে নেওয়া যাক কীভাবে বুঝব যে নিজের মেকআপ ফেলে দেবার সময় এসে গেছে-
[picture]
(১) যদি চোখে ইনফেকশন হয় তবেই যে সেই আই মেকআপটা খারাপ তেমন ভাবার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু বারবার ওই সামগ্রী ব্যবহার করে চোখে ইনফেকশন বা জালাপোড়া হয় তবে ভালো হবে ওই কাজল বা আই লাইনারটা আবার ব্যবহার না করা। তবে আগে থেকেই যদি চোখে ইনফেকশন থাকে তবে কোন কাজল বা অন্য কোন সামগ্রী ব্যবহার না করাই ভালো। এর থেকে ভবিষ্যতে ইনফেকশন হবার সম্ভবনা থাকে না।
(২) আজকাল প্রায় সব মেকআপ সামগ্রীই কিন্তু সুগন্ধিযুক্ত হয়। যদি আপনার প্রিয় লিপস্টিক দিয়ে অন্য রকমের অনেকটা পুরনো বা পঁচা তেলের গন্ধ বের হয় তবে সময় এসে গেছে ওই লিপস্টিকটাকে বিদায় করার। ওটা যতই প্রিয় হোক না কেন সেটা আপনার থেকে তো দামি কখনই না।
(৩) যদি ফাউন্ডেশন এর রঙ বদলে যায় বা এটা খুব পাতলা হয়ে যায় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে ওই ফাউন্ডেশনটা ব্যবহার করা উচিত না।
(৪) মাশকারা আমার খুবই প্রিয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এটাই যে একটা মাশকারা এক বছরেই এক্সপায়ার করে যায়।
(৫) যদি আপনার প্রিয় ক্রিম ব্লাশ সুন্দর আর মসৃণভাবে ত্বকে আর না মেশে এবং অনেকটা ফেটে ফেটে যায় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে এটা নষ্ট হয়ে গেছে।
(৬) আমাদের ব্যবহারের একটা ভীষণ প্রয়োজনীয় সামগ্রী হল মেকআপ স্পঞ্জ। এটা পুরনো হলে এর থেকে আমাদের স্কিনে র্যাশ ও আরও অনেক রকমের সমস্যা হতে পারে। তাই ব্যবহারের পরে এটাকে ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মেকআপ স্পঞ্জ ব্যবহারের এক মাসের পরে ফেলে দিয়ে অন্য আরেকটা ব্যবহার করতে হবে।
তবে একটা কথা বলা যায় যদি আপনার বাজেটটা বেশি হয় আর আপনার মেকআপ সামগ্রীগুলো ভালো ব্র্যান্ডের হয় তাহলে আশা করা যায় যে ওগুলো এক্সপায়ারি ডেটের থেকে আরও এক কি দুই মাস বেশি চলবে।
কোনও মেকআপ কতদিন অবধি ব্যবহার করা যায় নিচে একটা তালিকা দেওয়া হলো-
| মেকআপ সামগ্রী | ব্যাবহারের সময়সীমা |
| মাশকারা | ১ বছর |
| ফাউন্ডেশন | ১ বছর |
| কন্সিলার | ১২-১৮ মাস |
| পাউডার | ১৮ মাস |
| ক্রিম ব্লাশ | ১২-১৮ মাস |
| ব্লাশ | ১৮ মাস |
| আই স্যাডো | ১৮ মাস |
| জেল আইলাইনার | ১৮ মাস |
| লিকুইড আইলাইনার | ৬ মাস |
| লিপ বাম | ১৮ মাস |
| লিপস্টিক | ১৮ মাস |
| লিপ লাইনার | ১ বছর |
| নেইল পলিশ | ১ বছর |
| মেকআপ স্পঞ্জ | ব্যবহারের ১ মাস পরে ফেলে দিন |
দান করা ভালো এই কথাটা সত্যি কিন্ত আপনার পুরনো মেকআপ তাই বলে আপনার ছোট্ট বোন বা অন্য কাউকে দেবেন না। কারণ আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না যে এর থেকে অন্য কারও ক্ষতি হোক। তাই এক্ষেত্রে সেগুলো ফেলে দেওয়াই ভালো। তাই সময় থাকতে থাকতেই ব্যবহার করে ফেলুন আপনার প্রিয় লিপস্টিক বা ফাউন্ডেশনটা।
ছবি – বিকামগর্জাস.কম
লিখেছেন – নন্দিনী পোদ্দার







Consilor ar prize ta kamon.@ke company ar ta valo .amr ((skin oily)).
1st) futndation dai (y.cid company)
2nd) pancake dai(gopinath)
3rd) face powder dai(jacklin)
4th) scrub(new look apricot @almond) ai ta 1 weak a katober lagano jabe ?
b8 face one white hoye jai.then ami vija kapor diye muser por normal hoy.plz amak ar solution ta din.ami ar agua post diyace b8 ans pai ni.plz plz plz ams me.
Thnx
সৌন্দর্য চর্চায় প্রসাধনীর ব্যবহার
প্রসাধনী কমবেশি সবাই ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কোন প্রসাধনীর কেমন ব্যবহার। আজকে জানবো কিভাবে প্রসাধনী ব্যবহার করবেন।
ক্লিনজার:
ক্লিনজার ত্বক পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা হয়। ক্লিনজার সাধারণত মিল্ক, লোশন ও ক্রিম_এই তিন ধরনের ফরম্যাটে পাওয়া যায়। ক্লিনজার হাতে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে ধুয়ে বা মুছে ফেলুন।
টোনার:
মুখের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর করার জন্য টোনার ব্যবহৃত হয়। টোনারের মধ্যে টিস্যু বা সামান্য তুলা ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে
barite kibhabe face powder toiri korbo?