হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে সিলেক্ট করুন রাইট স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস!

হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে সিলেক্ট করুন রাইট স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস!

1 (42)

নিজেকে কে না ভালোবাসে? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের উজ্জ্বল আর দাগহীন ফেইসটা দেখলে মনটাই ভালো হয়ে যায়, তাই না? যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, নিজের যত্ন নিতে ভুলবেন না! হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে বেসিক স্কিনকেয়ার রুটিন ফলো করা মাস্ট। যারা বেসিক স্কিনকেয়ার শুরু করতে চাচ্ছেন, কিন্তু বুঝতে পারছেন না যে কোন ব্র্যান্ডটি ভালো হবে বা বিগেনার হিসাবে কোন কোন প্রোডাক্ট দিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া স্টার্ট করতে হবে, তাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটি হেল্পফুল হবে। হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে সিলেক্ট করতে হবে রাইট স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস। একই ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট দিয়ে ত্বকের ধরন অনুযায়ী সাজিয়ে নিতে পারেন স্কিনকেয়ার রুটিন। আজ আমি লাইলাক স্কিন কেয়ার রেঞ্জ নিয়ে একটু ডিটেইলসে কথা বলবো।

একই ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট দিয়ে ত্বকের যত্ন

যারা স্কিনকেয়ারে নতুন অর্থাৎ বিগেনারদের জন্য স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট সিলেক্ট করাটা একটু কঠিন। অনেক ধরনের কনফিউশন থাকে, আবার বাজেটের ইস্যুও থাকে। সেইম ব্র্যান্ডের স্কিন কেয়ার রেঞ্জ দিয়ে খুব সহজেই আপনি ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। একই ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট দিয়ে স্কিনকেয়ার রুটিন সাজিয়ে নিতে পারলে সেটা বেশ ভালোই হবে, তাই না? আগেই বলেছি, আজ আমি লাইলাকের স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কথা বলবো। আমি নিজেই বেশ ক’টি প্রোডাক্ট ট্রাই করেছি, এখনও ইউজ করছি। অলরেডি অনেকেই এই ব্র্যান্ডটির সাথে পরিচিত।

লাইলাক ব্র্যান্ডের স্কিনকেয়ার রেঞ্জ 

এই ব্র্যান্ডের ফেইস ওয়াশ, স্ক্রাব, লিপবাম, ময়েশ্চারাইজার, স্কিন লাইটেনিং ক্রিম ও কয়েক ধরনের সিরাম আছে। এই প্রোডাক্টগুলোর রিভিউ বেশ ভালো, রিজেনেবল প্রাইসে বেস্ট কোয়ালিটির প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন। কীভাবে স্কিনকেয়ার শুরু করতে পারেন এবং এই প্রোডাক্টগুলো কেন আপনার জন্য বেনিফিসিয়াল, সবই আজ আমরা জেনে নিবো।

হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে রাইট স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট সিলেকশন 

১)  ফেইস ওয়াশ

ত্বক পরিষ্কার রাখা হচ্ছে পার্সোনাল হাইজিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ত্বকে জমে থাকা ধুলো ময়লা, পল্যুশন, সেবাম প্রোপারলি ক্লিন না হলে, সেটা থেকেই কিন্তু বিভিন্ন স্কিন প্রবলেম দেখা দেয়। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ক্লেনজার বা ফেসিয়াল ওয়াশ বেছে নেওয়া জরুরী। লাইলাকের দু’টো ফেইস ওয়াশ আছে, একটি হচ্ছে অয়েলি ও কম্বিনেশন স্কিনের জন্য এবং আরেকটি ড্রাই ও সেনসেটিভ স্কিনের জন্য।

LILAC Brightening Face Wash Oily And Combination Skin

যাদের স্কিন অয়েলি ও একনে প্রন, তাদের জন্য এই ফেইস ওয়াশটি রাইট চয়েজ! আপনার স্কিনটাইপ যদি কম্বিনেশন হয়ে থাকে, তাহলেও নিশ্চিন্তে এটি ইউজ করতে পারেন। লাইলাকের এই ফেইস ওয়াশটি আমার বেশ পছন্দের, কেননা আমারও অয়েলি স্কিন! এতে আছে অ্যাক্টিভেটেড ব্যাম্বু চারকোল; যেটা এক্সেস অয়েল রিমুভ করে, ফেইসের চিটচিটেভাব দূর করে আর সেই সাথে ডিপ ক্লেনজিংয়ের কাজ করে। মুখ ধোয়ার পর স্কিন বেশ ফ্রেশ আর ক্লিয়ার লাগে।

LILAC Brightening Face Wash Dry And Sensitive Skin

ড্রাই ও সেনসিটিভ স্কিনের জন্য পারফেক্ট ফেইস ওয়াশ খুঁজে পাওয়াটা বেশ টাফ! লাইলাকের এই ব্রাইটেনিং ফেইস ওয়াশটি ড্রাই স্কিনের জন্যই ফর্মুলেটেড, যেটা স্কিনকে পরিষ্কার করে কোমলভাবে। এতে আছে গ্রিন টি, অ্যালোভেরাসহ আরও অনেক উপকারি উপাদান। স্কিনকে কোমল ও সতেজ রাখার সাথে সাথে ডিপ ক্লেনজিং করে। স্কিনকে একদমই ড্রাইআউট করে না, সকালে ও রাতে দুইবার ব্যবহার করা যেতে পারে।

২) ফেসিয়াল স্ক্রাব

লাইলাকের স্ক্রাবটি ক্ষতিকর প্যারাবেন ফ্রি, অ্যালকোহল ফ্রি, হালাল এবং ভেগান। LILAC Brightening Daily Scrub All Skin Types এই প্রোডাক্টটি আমি প্রায় এক বছর ধরে ব্যবহার করছি। ত্বকে একদমই হার্শ ফিল হয় না। পার্টিকেল খুবই ছোট হওয়াতে ১/২ দিন পর পরই ইউজ করা যায়। আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটা হাইপোএলারজেনিক অর্থাৎ এটাতে এলার্জিক রিয়েকশন হওয়ার সম্ভাবনা নেই! অ্যাভোক্যাডো অয়েল, আনারের এক্সট্রাক্টসহ ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্ট ইউজ করা হয়েছে, যা সব ধরনের ত্বকেই স্যুইটেবল। ত্বকের মৃত কোষের সাথে ত্বকের সেবাম আর ধূলোবালি মিশে রোমকূপ বন্ধ হলেই স্কিন প্রবলেম যেমন ক্লগড পোর, ডার্ক প্যাচ দেখা যায়। তাই হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে সপ্তাহে অন্তত ২ দিন স্ক্রাবিং করতে ভুলবেন না!

৩) ময়েশ্চারাইজার

Lilac Brightening Moisturiser আমার খুবই পছন্দের একটি প্রোডাক্ট। এতে আছে আলফা আরবিউটিন, হানি এক্সট্র্যাক্ট, হাইড্রোলাইড মিল্ক প্রোটিন ইত্যাদি। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বককে করে হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজড। খুবই লাইট ওয়েট টেক্সচার, ত্বকে খুব সুন্দরভাবে মিশে যায়। এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখার পাশাপাশি ব্রাইটেনিংয়ের কাজও করে। আমার সবথেকে ভালো লেগেছে, এটি ব্যবহার করলে স্কিনে চিটচিটে ফিল হয় না, হেলদি গ্লো আসে এবং স্মেলটাও বেশ মাইল্ড। এটি সম্পূর্ণ হালাল, ক্ষতিকর ক্যামিকেল মুক্ত। টিনেজাররাও এই ময়েশ্চারাইজারটি ইউজ করতে পারবেন।

৪) স্পট লাইটনার

কনুই, গলা, আন্ডারআর্মস সহ শরীরের অন্যান্য প্রাইভেট পার্টের দাগ দূর করতে দারুন কার্যকরী Lilac 3X Spot Lightener ক্রিমটি। এতে আছে আলফা আরবুটিন, নিয়াসিনামাইড এবং পাম্পকিন সিড অয়েল এর মত উপকারী সব উপাদান, যেগুলো ত্বকের জেদি কালো দাগ হালকা করতে খুব ভালো কাজ করে। যাদের গলা এবং ঘাড় তুলনামূলকভাবে একটু কালচে, তাদের জন্য এটি বেস্ট সল্যুশন! ব্যবহার করাও কিন্তু বেশ সহজ, শরীরের যে অংশগুলো একটু ডার্ক বা স্পট আছে, ঐ জায়গাগুলোতে প্রতিদিন দুইবার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। ধীরে ধীরে কালচেভাব কমে আসবে, স্কিন ব্রাইট দেখাবে। সব ধরণের স্কিন টাইপে এই ক্রিমটি মানিয়ে যায়, তবে শুধুমাত্র ডার্ক স্পট ও কালচে স্থানে এটি অ্যাপ্লাই করবেন।

৫) লিপবাম

স্ট্রবেরি, রোজ, কোকোয়া এবং রজনীগন্ধা, চারটি ডিফারেন্ট স্মেলযুক্ত লিপবাম আছে লাইলাকের! Lilac Premium Lip Balm দেখতে খুবই ইউনিক, রাইন্ড শেইপের। ব্যাগে ইজিলি ক্যারি করা যায়। ঠোঁট ময়েশ্চারাইজড রাখতে দারুন কার্যকরী এই প্রোডাক্টটি। ঠোঁটের রুক্ষভাব দূর করে প্রাণবন্ত করে তুলতে যে যে উপাদানগুলো প্রয়োজন, সবই আছে এই লিপবামে। পার্সোনালি গোলাপ আর কোকোয়া ফ্লেবার আমার খুবই পছন্দের। আমি সারাবছরই লিপবাম ইউজ করি। শীতকালে তো মাস্ট, গরমের দিনেও ম্যাট লিপস্টিক অ্যাপ্লাইয়ের আগে লিপবাম ব্যবহার করি। রাতে ঘুমানোর আগে লিপবাম অ্যাপ্লাই করলে ঠোঁট ফেটে যাওয়ার চান্স থাকে না।

৫) হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে সিরাম

লাইলাক স্কিন কেয়ার রেঞ্জে নিয়াসিনামাইড, ভিটামিন সি, রেটিনল ও ব্রাইটেনিং সিরাম আছে। স্কিন কেয়ারে এই ধাপটি নিয়ে অনেকেরই কনফিউশন আছে। প্রথমেই বলে রাখি, আপনি যদি বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন ঠিকমতো ফলো করেন আর আপনার বয়স যদি ২০+ হয়ে থাকে, তাহলে সিরাম ইউজ করতে পারবেন। হাইলি কনসেনট্রেটেড পাওয়ারফুল ইনগ্রেডিয়েন্টগুলোকে থিন ফর্মুলার সাহায্যে স্কিনের ডিপ লেয়ারে পৌঁছে দেওয়াই সিরামের কাজ! খুবই অল্প পরিমাণে ব্যবহার করতে হয়। রাতারাতি ফলাফল পাবেন না, ধীরে ধীরে আপনার ত্বকে চমৎকারভাবে এটি কাজ করবে। আমাদের স্কিনের স্পেসিফিক প্রবলেমকে টার্গেট করেই এটি কাজ করে। স্কিনের ধরন, প্রবলেম এগুলো বুঝে তারপর সিরাম সিলেক্ট করতে হবে। লাইলাকের সিরামগুলো সম্পর্কে এখন আমরা জেনে নিবো।

Lilac Vitamin C Serum 10%
  • লাইলাকের এই সিরামে আছে পাওয়ারফুল রিচ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। Hyaluronic Acid এবং Vitamin C এই ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো ত্বকের যত্নে খুবই উপকারি।
  • ইয়াংগার লুকিং, হাইড্রেটেড ও স্মুথ স্কিন পেতে এই সিরামটি স্কিন কেয়ারে অ্যাড করতে পারেন।
  • ভিটামিন সি স্কিন ব্রাইটেনিংয়ের জন্য বেশ কার্যকরী, এছাড়া ব্রণের স্পট হালকা করে এবং পিগমেন্টেশন কমাতে হেল্প করে।
Lilac Brightening Serum with 2% Alpha Arbutin and 1% Kojic Acid
  • ভিটামিন সি অনেকের স্কিনে স্যুট করে না। সেক্ষেত্রে লাইলাক ব্রাইটেনিং সিরাম হতে পারে আপনার জন্য রাইট চয়েজ।
  • আলফা আরবুটিন ২% ও কোজিক এসিড ১% থাকাতে বিগেনারদের জন্য এটি একদম পারফেক্ট!
  • এটি স্কিনটোনকে ব্রাইট করতে সাহায্য করে, একনে বা ব্রণের দাগ ও পিগমেন্টেশন কমিয়ে আনে, সানবার্ন রিপেয়ার করে এবং আনইভেন স্কিনটোনের সমস্যা দূর করে।
  • অনেকেরই দেখা যায় যে, স্কিনে গ্লো থাকে না বা রোদে ঘুরে ঘুরে সানট্যান পরে গেছে। তাদের জন্য আমি এই সিরামটি রেকমেন্ড করবো। মলিন ও অনুজ্জ্বল ত্বকের সমস্যা সমাধানে এটি দারুন কাজ করে।

Lilac Age Delaying Serum with Retinol 1% and Vitamin E

  • রেটিনলের কথা আমরা অনেকেই শুনেছি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্কিনে যেই এজিং সাইন চলে আসে, এই রেটিনলই কিন্তু হতে পারে অ্যান্টি এজিং ট্রিটমেন্টের জন্য সবচেয়ে সহজ সমাধান।
  • এটি এক ধরনের ভিটামিন এ, যেটা স্কিনের নানারকম সমস্যাকে টার্গেট করে কাজ করে। যেমন- ড্যামেজ স্কিনসেল রিপেয়ার, পোরসগুলোকে ক্লিন রাখা, মেলানিন প্রোডাকশন কমিয়ে আনা, কোলাজেন প্রোডাকশন বাড়ানো ইত্যাদি।
  • স্কিন কেয়ারে রেটিনল ব্যবহার শুরু করলে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার ব্যবহার করুন প্রথমে। স্যুট করে গেলে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে হবে; দিনে ১ বার করে ইউজ করাই এনাফ।
  • আর একটা কথা বলতে চাই, প্রেগন্যান্ট নারীরা রেটিনয়েড জাতীয় স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকবেন।
LILAC NIACINAMIDE SERUM 5%
  • নিয়াসিনামাইড পোর মিনিমাইজ করতে ও স্কিনে ফাইন লাইনস কমিয়ে আনতে খুবই ভালো কাজ করে।
  • একনে ট্রিটমেন্টে এবং পিগমেন্টেশন কমাতেও এই উপাদানটি দারুন কার্যকরী।
  • লাইলাকের এই সিরামটি ইউজ করে আমার স্কিনের টেক্সচার ইম্প্রুভ হয়েছে, সেই সাথে ওপেন পোরসের সমস্যাও কমে এসেছে।
  • হাইলি কনসেনট্রেটেড নিয়াসিনামাইড ব্যবহারে স্কিনে রেডনেস ও ইরিটেশন হতে পারে। কিন্তু লাইলাকের সিরামটিতে যেই কনসেনট্রেশন আছে, তা স্কিনের জন্য পুরোপুরি সেইফ।
  • একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন, সিরাম ইউজ করলে ডে টাইমে সান প্রোটেকশন নেওয়া কিন্তু মাস্ট। কারন অনেক ইনগ্রেডিয়েন্ট ফটো সেনসেটিভ হয়, তাই স্কিন কেয়ারে সিরাম অ্যাড করলে সঠিকভাবে সানস্ক্রিন ইউজ করতে বলা হয়।

তাহলে দেখলেন তো, একই ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট দিয়ে ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুসারে স্কিনকেয়ার রুটিন সাজিয়ে নেওয়া যায়। হেলদি ও ফ্ললেস স্কিন পেতে টিনেজ থেকেই বেসিক কেয়ার করতে হবে; ক্লেনজিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং এবং সান প্রোটেক্টিং কিন্তু মাস্ট! আপনাদের মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। লাইলাকের কোনো প্রোডাক্ট নিয়ে আপনার এক্সপেরিয়েন্স থাকলে সেটা শেয়ার করে ফেলুন কমেন্ট বক্সে।

 

অথেনটিক প্রোডাক্ট কিনতে ভিজিট করুন শপ.সাজগোজ.কম, অ্যাপ ও ওয়েবসাইট থেকে অর্ডার প্লেস করতে পারবেন। অনলাইনে অর্ডার করে বাসায় বসেই প্রোডাক্টগুলো হাতে পেয়ে যাবেন। আপনারা চাইলে সাজগোজের দুটি ফিজিক্যাল শপ যার একটি যমুনা ফিউচার পার্ক ও অপরটি সীমান্ত সম্ভারে অবস্থিত, সেখান থেকেও কিনতে পারেন।

ছবি- সাজগোজ

8 I like it
1 I don't like it
পরবর্তী পোস্ট লোড করা হচ্ছে...