[topbanner]
বিউটি প্রোডাক্টের উপর কোনো ধরণের খরচ না করেই কি আপনি গ্লোয়িং স্কিনের অধিকারী হতে চান? এখানে আপনাদের জন্য রয়েছে ঘরে তৈরি ফেস মাস্কের একটি সিম্পল রেসিপি। এতে ব্যবহৃত উপাদানগুলো খুব সহজেই আপনার রান্না ঘরে পেয়ে যাবেন।
ফেস মাস্কটি তৈরি করতে যা যা লাগবে –
(১) এক্সট্রা- ভার্জিন অলিভ অয়েল
(২) মধু
(৩) বেকিং সোডা
একটি বাটিতে এক চা চামচ অলিভ অয়েল নিন। তাতে অর্ধেক চা চামচ মধু যোগ করুন। সাথে মিশান এক চা চামচ বেকিং সোডা। সব উপাদান এক সাথে ভালোভাবে মেশান। যদি আপনি আরো ঘন পেস্ট চান তাহলে আবারও অল্প পরিমানে বেকিং সোডা মিশাতে পারেন। হয়ে গেল আপনার গ্লোয়িং ফেস মাস্ক।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে ভালভাবে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। হালকা ভেজা থাকতেই এই মাস্কটি মুখে লাগিয়ে নিন। এক মাস্কটি হালকা সার্কুলার মোশনে পুরো মুখ আর ঘাড়ে লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর পছন্দের টোনার আর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। সফট আর গ্লোয়িং ত্বকের জন্য সপ্তাহে একবার এই মাস্কটি ব্যবহার করুন।
[picture]
উপকারিতা
এখানে ব্যবহৃত উপদানগুলো আপনার স্কিনের জন্য খুবই ভালো। অলিভ অয়েল আর মধু এ দুইটিরই আছে স্কিনকে ময়েশ্চার করার ক্ষমতা। ফলে এই মাস্ক ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে এবং ত্বকের ইলাসটিসিটি বাড়িয়ে আপনার ত্বককে রিপেয়ার করতে সাহায্য করবে।
মধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, লোমকূপ ছোট করতে সাহায্য করে এবং রোদে পোড়া দাগ থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া অকালে রিংকেল পড়া থেকেও ত্বককে রক্ষা করে। স্কিনকে হাইড্রেট করে।
আর বেকিং সোডা এক্সফোলিয়েটিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। ত্বকের লালচে ভাব কমায়। মরা চামড়া আর অতিরিক্ত তেলের জন্য ত্বকে যে ব্রণ উঠে তা থেকে রক্ষা করে।
এই ফেস মাস্কটির আরেকটি উপকারিতা হল এটা সব ধরণের স্কিনের জন্য পারফেক্টভাবে কাজ করে। এর উপাদানগুলো ত্বককে অধিক শুষ্ক কিংবা তৈলাক্ত করে তুলে না।
ছবি – ইউকুইন.কম
লিখেছেন – নীল








amar tak shavabik but glow na .amar age30 so ami ki korte pari.
https://www.shajgoj.com/2016/04/19076/ ei article e ullekh kora mask gulo use kore dekhte paren. upokrito hobe asha kori.