ত্বকের বিভিন্ন স্থানে হওয়া একনে আপনাকে কিছু নির্দেশ করছে কি?

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে হওয়া একনেগুলো আপনাকে কিছু নির্দেশ করছে কি?

IMG_5174

তন্নির সবসময় কপাল এবং নাকের এরিয়াতে একনে হয়। সে ঠিকমতোই তার স্কিন কেয়ার করছে, একনের জন্য স্পেশাল যত্নও নিচ্ছে। তবুও তাতে কোনো কিছুই যেন কোনো কাজই হচ্ছে না। একনে সেরে যাচ্ছে কিন্তু আবার নতুন করে উঠছে। ত্বকের বিভিন্ন স্থানে হওয়া একনে নিয়ে এবার তন্নি একটু রিসার্চ করে। তার এই কপালে এবং নাকে একনে হওয়া নিয়ে সে জানতে পারলো, তার  ফুড হ্যাবিটের কারণেই এতদিন তার কপাল এবং নাকের উপরে একনে হচ্ছিলো।

আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই একনে কোন জায়গায় হয়েছে কিংবা এর পেছনের কারণ কী সেটা নিয়ে মাথা ঘামাই না। শুধুমাত্র একনে কীভাবে দূর করতে হবে সেই চিন্তা করি। কিন্তু আপনি হয়তো জানেনও না, ত্বকে একনে হওয়ার জায়গাগুলো হয়তো আপনাকে কিছু নির্দেশ করছে।

ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় একনে হওয়ার আলাদা আলাদা কারণ অবশ্যই রয়েছে। এক্সটারনাল কারণের থেকে অনেক সময় দেখা যায়, ইন্টারনাল বিভিন্ন কারণে একনে হয়ে থাকে। ইন্টারনাল কারণ থাকলে উপর দিয়ে যতই স্কিন কেয়ার করুন না কেন একনের সমস্যার সমাধান হবেনা। তাই আমাদের সকলের জানা উচিত, ত্বকের কোন স্থানে কী কারণে একনে হয়। তাহলে সমাধানও সহজ হবে। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে জেনে নেই, ত্বকে একনে হওয়ার জায়গাগুলো কি আপনাকে কিছু নির্দেশ করছে?

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে হওয়া একনে হওয়ার কারণ

আগেই বলেছি, ত্বকের একনে  হয় মূলত ত্বকের ইন্টারনাল প্রবলেমের কারণে। এছাড়াও এক্সটার্নাল কিছু কারণ তো রয়েছেই। পার্সোনাল হাইজিন হ্যাবিটের কারণে অনেক সময় একনে হতে দেখা যায়।

আপনার শরীরের কোন ইন্টারনাল অংশে সমস্যা রয়েছে তা আপনার একনে হওয়ার জায়গাগুলোই নির্দেশ করবে। তবে এটা যে সবসময় ১০০% সঠিক তা কিন্তু নয়, তবে বেশীরভাগ সময় কারনগুলো এমনই হয়। তো, চলুন জেনে নেই এই সম্পর্কে।

গাল, বুক এবং পিঠে একনে :

গালে একনে হওয়া আমাদের মধ্যে সবথেকে কমন একটা বিষয়। গালে একনে হলেই তো সেটাকে দূর করার জন্য কত কি মুখে লাগিয়ে বসে থাকি। তাই না? কিন্তু জানতেও চাই না এটা কেন হচ্ছে। এছাড়াও অনেকের বুকে এবং পিঠে একনে হতে দেখা যায়। গাল, বুক এবং পিঠে একনে হওয়াটা নির্দেশ করে ফুসফুসের সমস্যাকে। অনেক সময় ধূমপান, ফ্রেশ বাতাসের অভাব, তাজা শাক সবজি, ফল কম খাওয়া এবং অতিরিক্ত ডেইরি ফুড ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে এমন হতে পারে।

এই জন্য অবশ্যই ডায়েটে শাক সবজি, ফল যোগ করতে হবে। সাথে সাথে প্রতিদিন কিছুটা সময় ফ্রেশ বাতাসে কাটাবেন। ধুমপানের অভ্যাস থাকলে আস্তে আস্তে সেটা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

কপাল এবং নাকে একনে :

অনেক সময় দেখা যায়, আমরা অনেক বেশী ফাস্টফুড, ডেইরি আইটেম, ফ্যাট জাতীয় খাবার খেয়ে ফেলি। যার ফলস্বরুপ একনে দেখা দেয় আমাদের ফেইসে, বিশেষ করে আমাদের কপালে এবং নোজ ব্রিজের উপরে।

এই একনেগুলো মূলত জাঙ্কফুড ইন্টেকের কারণেই হয়ে থাকে।

এছাড়া কপালে এবং নাকের উপরে হওয়া একনে আপনার লিভারের সমস্যাকেও নির্দেশ করে। তাছাড়াও বডিতে টক্সিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এই ধরনের একনে দেখা যায়।

এই ধরনের একনে থেকে থাকলে অবশ্যই আপনার খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দিতে হবে। রেডমিট, সুগার, চকলেট, ডীপ ফ্রাইড ফুড, ফাস্টফুড, ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে এবং যেসকল খাবার বডি থেকে টক্সিন দূর করে সেই সকল খাবার খেতে হবে ।

এরপরেও যদি একনে না কমে, তাহলে অবশ্যই অন্তত এক মাসের জন্য ডেইরি প্রোডাক্ট বাদ দিয়ে দেখতে হবে, তাহলে আশা করি মুক্তি পাবেন।

কাঁধ এবং ঠোঁটে একনে :

ঠোঁট এবং কাঁধে একনে হওয়ার কারণ হচ্ছে আপনার পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। হজমে গোলমাল এবং কনস্টিপেশন হলে এই ধরনের একনে দেখা যায়। এছাড়াও মানসিক টেনশন আরেকটি কারণ এই ধরনের একনে হওয়ার জন্য।

এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে, অবশ্যই নিজেকে দুশ্চিন্তা থেকে দুরে রাখতে হবে। এছাড়াও ডায়েটে অবশ্যই ফাইবার যুক্ত খাবার যোগ করতে হবে। সম্ভব হলে প্রত্যেকবেলা খাবার খাওয়ার পরে এক কাপ গ্রিন টি খাবেন।

চোখের নিচে একনে :

চোখের নিচে একনে হওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একটা নয়, বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। তবে মেইনলি এটা নির্দেশ করে আপনার বৃক্ক এবং কিডনিতে সমস্যা হওয়াকে।

এছাড়াও আপনার দৈনন্দিন স্ট্রেস, ঘুম কম হওয়া, ক্লান্তি ভাব, খাবারে নিউট্রিশন এর অভাব এর কারণেই চোখের নিচে একনে দেখা দেয়।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং নিজেকে যতোটুকু সম্ভব সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে দূরে রাখতে হবে। সঠিক নিউট্রিশন যুক্ত খাবার খেতে হবে , বিশেষ করে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার যেগুলো আপনাকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে।

নাকের এরিয়াতে একনে :

শরীরে ভিটামিন বি, প্রোটিন ইত্যাদির অভাবে নাকের এরিয়াতে একনে হতে পারে ।এছাড়াও আপনার ইনএকটিভ লাইফ স্টাইল এর জন্য দায়ী। তবে স্কিনে পর্যাপ্ত নিউট্রিশন এবং ব্লাড সার্কুলেশন এর অভাবেও নাকের এরিয়াতে একনে দেখা যায়।

এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই স্কিনে গুড ম্যাসাজের দরকার, যাতে আপনার ত্বকে ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া পুষ্টিকর খাবার এবং প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা এক্সারসাইজ করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

থুতনি এবং চোয়ালে একনে :

মূলত হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কারণে থুতনি এবং চোয়ালে একনে দেখা দেয়। মেয়েদের পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয় যার কারণে ওই সময়টাতে থুতনি এবং চোয়ালে একনে হয়ে থাকে।

তাছাড়া দুশ্চিন্তা এর কারণেও এটা হতে পারে। তবে যেসব নারীদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম রয়েছে তাদের নরমালি এই স্থানগুলোতে একনে হতে দেখা যায়। তাই এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিলেই ভালো হবে।

নেক এরিয়াতে একনে :

অনেকেরই দেখা যায়, ঘাড়ের আশেপাশে একনে হতে। ঘাড়ে একনে হওয়া মূলত নির্দেশ করে আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেম এর সমস্যাকে।

এছাড়াও ঠান্ডা লাগলে বা ইনফেকশনের কারণে ও ঘাড়ে একনে হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের বেরি, টার্কি, স্যালমন ফিস, ব্রকলি জাতীয় খাবার খেলে এই ধরনের একনে থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

কানে একনে :

কানে একনে খুব রেনডমলি সবার মধ্যে দেখা যায় না। তবে এটা যে হয় না তা কিন্তু নয়। তবে এ ধরনের একনে মূলত কিডনির সমস্যাকে নির্দেশ করে ।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাবারে পটাশিয়ামের পরিমাণ ব্যালেন্স করে খেতে হবে ।এছাড়াও সঠিক পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং ডেইরি প্রোডাক্ট একটু কম খাওয়া ই উত্তম।

এতক্ষণ তো আমরা জানলাম শরীরের ইন্টার্নাল কারণে একনে কেন হয়। তবে অনেক রিসার্চে বলা হয়, শরীরের ইন্টারনাল কারণে সাথে একনের তেমন সম্পর্ক নেই। কিন্তু, আমরা আমাদের হাইজিন কীভাবে মেইনটেইন করি তার উপরেও কিন্তু একনে হওয়াটা নির্ভর করে। তাই আমাদের পার্সোনাল হাইজিন হ্যাবিট খুবই জরুরী।

পার্সোনাল হাইজিন হ্যাবিটের কারনে একনে কীভাবে সৃষ্টি হয়?

১. অনেক সময় আমরা দেখতে পাই, আমাদের হেয়ার লাইনের কাছাকাছি ছোট ছোট একনে দেখা যাচ্ছে। এধরনের একনেগুলো মূলত মেকআপ ঠিকমতো রিমুভ না করার কারণে হয়ে থাকে। কারণ, অনেক সময় মেকআপ রিমুভ করতে গিয়ে আমরা হেয়ার লাইনের দিকটাকে ওইভাবে এটেনশন দিতে পারিনা। তাই আমরা যখনই মেকাপ করি না কেন সেটা সঠিকভাবে রিমুভ করা কিন্তু খুব ইম্পর্টেন্ট। তা না হলে এই ধরনের একনে দেখা যাবে। তাই সব সময় মেইক শিওর করতে হবে যে, মেকআপ পুরোপুরি স্কিন থেকে রিমুভ করা হয়েছে।

২. গালে একনে হওয়াটা খুবই কমন একটা ব্যাপার। পার্সোনাল হাইজিন এর কারণেও এটা হতে পারে। যেমন ধরুন বারবার স্কিনে টাচ করা, পিলোকেস ঠিকমতো পরিষ্কার না করা, স্মোক করা, এমনকি ডার্টি মোবাইল ফোন স্কিনের সংস্পর্শে এলে এর কারণেও  একনে হতে পারে।

৩. পিরিয়ডের চলাকালীন সময়ে বা পিরিয়ডের আগমুহূর্তে থুতনি এবং চিবুক এরিয়াতে একটা খুবই স্বাভাবিক। তবে পিরিয়ড হওয়ার আগ মুহূর্তে বেশি পরিমাণে শর্করা এবং চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণেও এটা হতে পারে। তাই এই সময়টাতে এই সকল খাবার ব্যালেন্স করে খাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৪. অনেক সময় আমরা স্কিন কেয়ার করাটা কি খুব বেশি গুরুত্ব দেইনা যার ফলে আমাদের বডি বা ফেইসে ময়লা, অয়েল, পলিউশন ইত্যাদি জমা হয়। যার কারণে একনে হতে দেখা যায়।

কীভাবে একনে থেকে মুক্তি পাবেন :

এতক্ষণ তো আমরা জেনে নিলাম , ত্বকে একনে হওয়ার জায়গা গুলো আপনাকে কি নির্দেশ করছে এবং সেগুলোর ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল কারণগুলোর ব্যাপারে।

এবারে তো জানতে হবে, কিভাবে একনে থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই না? ইন্টার্নাল কারণগুলোর জন্য আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী চলতে পারেন।

তবে এক্সটার্নাল যেসব কারণ মানে পার্সোনাল হাইজিন হ্যাভিট গুলোর কথা বলেছি, সেগুলো কিন্তু একটু চেষ্টা করলেই পরিবর্তন আনতে পারবেন এবং একনে থেকে মুক্তি পাবেন। কিভাবে?? চলুন সেটাও জেনে ফেলি এখন।

১. স্কিন কেয়ার :

একনের হাত থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে স্কিন কেয়ার রুটিন মেনটেইন করতে হবে। স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করলে একনের হাত থেকে অনেকাংশেই বেঁচে যাবেন এবং স্কিন টা ভালো থাকবে। এজন্য ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং রুটিন ফলো করবেনই সাথে স্কিনে একনে থাকলে যেকোনো একনে ফাইটিং ফেইস মাস্ক সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করতে পারেন।

এখানে আমি একটি ফেস মাস্ক এর রেসিপি দিয়ে দিলাম। চাইলে, এটি ফলো করতে পারেন। আশা করছি, উপকার পাবেন।

ফেসমাস্কটি বানাতে যা যা লাগবে-

একটি বাটিতে হাফ চা চামচ মাচা গ্রিন টি, এক চা-চামচ অ্যালোভেরা জেল, হাফ চা চামচ মধু এবং প্রয়োজনমতো গোলাপজল নিয়ে সবগুলো উপকরণ একসাথে মিক্স করে নিন।

তারপর মাস্কটি ফেইসে এপ্লাই করুন এবং ১৫ মিনিট পরে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

২. পরিষ্কার তোয়ালে ব্যবহার করুন :

সব সময় নিজের ব্যবহৃত তোয়ালে পরিষ্কার রাখুন এবং যে তোয়ালে আপনি মাথার চুলে ব্যবহার করবেন সেটা মুখে না ব্যবহার করাই ভালো। চাইলে ফেস মোছার জন্য টিস্যু পেপার ব্যবহার করতে পারেন। একজনের ব্যবহৃত তোয়ালে কখনোই অন্যজন ব্যবহার করতে যাবেন না।

৩. মেকআপ সঠিকভাবে রিমুভ করা :

যখনই মেকআপ করেন না কেন, দিন শেষে মেকআপ যেন সঠিকভাবে ক্লিন করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। অবশ্যই ডাবল ক্লিঞ্জিং করবেন। মেইক শিওর করবেন যেন মুখে বিন্দু পরিমানেও মেকআপ না জমে থাকে।

৪. পিলোকেস পরিষ্কার রাখা :

সপ্তাহে একদিন অবশ্যই পিলোকেস পরিষ্কার করবেন। কারণ পিলোকেসে আপনার ফেস থেকে ময়লা, তেল ইত্যাদি লেগে যায়। যেগুলো থেকে একনের সৃষ্টি হতে পারে। তোয়ালের মত পিলোকেসও কখনো শেয়ার করবেন না।

৫. টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করুন :

টি ট্রি অয়েলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রোপার্টিস যা একনে এবং একনে স্পট দূর করতে সাহায্য করে। আপনি আপনার পছন্দের ময়েশ্চারাইজারে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিক্স করে ব্যবহার করতে পারেন অথবা এমন একটি ময়েশ্চারাইজার কিনে নিতে পারেন যাতে টি ট্রি অয়েল রয়েছে।

এইতো জেনে নিলেন, ত্বকে একনে হওয়ার জায়গা গুলো কি আপনাকে কিছু নির্দেশ করছে কিনা? একনে হওয়ার ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল কারণগুলো। সাথে সাথে কীভাবে একনে থেকে মুক্তি পাবেন সে সম্পর্কেও। আশা করছি, আপনাদের অনেক বেশি উপকারে আসবে।

স্কিন ও হেয়ার কেয়ারের জন্য অথেক্টিক প্রোডাক্ট আপনারা চাইলে সাজগোজের দুটি ফিজিক্যাল শপ ভিজিট করতে পারেন, যার একটি যমুনা ফিউচার পার্ক ও অপরটি সীমান্ত স্কয়ারে অবস্থিত। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে শপ.সাজগোজ.কম থেকে কিনতে পারেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সুন্দর থাকবেন।

ছবি- সাজগোজ, সাটারস্টক

31 I like it
1 I don't like it
পরবর্তী পোস্ট লোড করা হচ্ছে...