ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল ব্যবহারে স্কিন হবে ফেয়ার ও ব্রাইট

ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল ব্যবহারে স্কিন হবে ফেয়ার ও ব্রাইট

ampule 2

তোমার মুখের ব্রণের দাগগুলো এখনও যায়নি? একি! ত্বক এমন নিষ্প্রাণ দেখাচ্ছে কেন? ফর্সা মানেই কি ফেয়ার স্কিন? তুমি বরং এক কাজ করো। একটা হোয়াইটেনিং ক্রিম ব্যবহার করো। মুখের দাগ তো যাবেই, সাথে স্কিনও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে!’ এমন পরামর্শে না বুঝেই দোকান থেকে হোয়াইটেনিং ক্রিম এনে ব্যবহার শুরু করে দেখলেন ত্বকের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ হয়ে গিয়েছে! সুতরাং আবারও দৌড়ঝাপ! কোথায় গেলে মিলবে সমাধান? একটু থামুন! যে কোনো প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে অবশ্যই এর ইনগ্রেডিয়েন্ট সম্পর্কে জানা থাকতে হবে। ত্বকের ব্রাইটনেস বাড়ানোর সাথে সাথে ডার্ক স্পটস ও ব্রণের দাগ দূর করার জন্য আজ আপনাদের জানাবো ডার্মালজিকার ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এর কথা। বেশ কয়েকটি সেইফ ইনগ্রেডিয়েন্ট দিয়ে তৈরি বলে এই প্রোডাক্ট ব্যবহারে আপনি থাকতে পারেন একদম নিশ্চিন্ত। বলছিলাম Dermologika Double Whitening Ampoule 2% Alpha Arbutin & 0.3% Glutathione এর সম্পর্কে। চলুন তাহলে জেনে নেই এর সম্পর্কে বিস্তারিত-

অ্যাম্পুল কী?

অ্যাম্পুল নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে জানতে হবে এটি আসলে কী। অ্যাম্পুল মূলত ছোট কাঁচের একটি সিল করা বোতল। যার মধ্যে লিকুইড এসেন্স বা সিরাম থাকে। ডার্মালজিকার ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এ এসেন্স দেওয়া হয়েছে। বাতাস ও অন্য কোনো ধরনের জীবাণু যেন এর ভেতর প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বোতলগুলো এভাবে সিল করে রাখা হয়। অ্যাম্পুলে থাকা এই এসেন্স হাইলি কনসেন্ট্রেটেড অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট লাইট ফর্মুলার মাধ্যমে স্কিনে পোঁছে যায়। যার ফলে স্কিনের ভেতর থেকে নির্দিষ্ট সমস্যা যেমন একনে, পিগমেন্টেশন, ডার্ক স্পট রিমুভ করে, ব্রাইটেনিং, হেলদি, স্কিন গ্লোয়িং এর জন্য নিখুঁতভাবে কাজ করে। এই অ্যাম্পুলের ভেতর থাকা এসেন্স সিরামের চেয়ে বেশি পাতলা হওয়ায় স্কিনে দ্রুত অ্যাবজর্ব হয়ে যায়।

Ampoule 1

ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এর বিশেষত্ব কী?

ডার্মালজিকার তিন ধরনের অ্যাম্পুল আছে। নির্দিষ্ট সমস্যা বুঝে স্কিনে একেকটি অ্যাম্পুল কাজ করে। আমার সমস্যার জন্য আমি বেছে নিয়েছিলাম ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুলটি। আমার মূলত দরকার ছিল ডার্ক স্পটস দূর করে স্কিনকে ভেতর থেকে ব্রাইট করে তুলবে এমন কিছু। সাথে যদি অ্যান্টি এজিং ফর্মুলার কিছু হয় তাহলে মন্দ হয় না। ডার্মালজিকা ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুলের খোঁজ পেয়ে আর দেরি করিনি। আমার কনফিউশন তো এটি ব্যবহারে দূর হয়েছে। আপনাদেরকেও জানাই কী কী সুবিধা এই অ্যাম্পুল থেকে আপনারা পাবেন-

  • এর মূল দুটো উপাদান আলফা আরবিউটিন ও গ্লুটাথিওন স্কিনকে ব্রাইট করতে সাহায্য করে
  • এতে থাকা অ্যান্টি- এজিং ফর্মুলা স্কিনের রিংকেলস, ফাইন লাইনসের বিরুদ্ধে কাজ করে বলে স্কিনে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না
  • স্কিন টাইটনিং এ সাহায্য করে
  • ডার্ক স্পট রিমুভার হিসেবে খুব ভালো কাজ করে
  • সব ধরনের স্কিনে ব্যবহার করা যায়
  • ডার্মাটোলজিক্যালি টেস্টেড

ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এর উপাদানগুলো যেভাবে কাজ করে

ডার্মালজিকার ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এর প্যাকেটটি হাতে নিয়ে উল্টো পাশেই দেখবেন এর বিভিন্ন উপাদান বিষয়ে লেখা আছে। যেহেতু এই অ্যাম্পুল স্কিন ব্রাইটেনার হিসেবে কাজ করে তার মানে এতে স্কিন ব্রাইট করার উপাদানই আছে। তাহলে সবার আগে আপনাকে জানতে হবে প্রোডাক্টে থাকা উপাদানগুলো কী কী কাজ করে। চলুন জেনে নেই এ বিষয়ে-

আলফা আরবিউটিন

এই অ্যাম্পুলের প্রধান দুটো উপাদানের একটি আলফা আরবিউটিন। আরবিউটিনের দুটো ফরম্যাট আছে। যেমন- আলফা ও বেটা আরবিউটিন। আলফা আরবিউটিন স্কিনে জেন্টলি কাজ করে এবং স্কিনের জন্য এটি স্ট্রংলি ইফেক্টিভ। এই অ্যাম্পুলে আছে ২% আলফা আরবিউটিন। এটি একটি সেইফ ব্রাইটেনিং ইনগ্রেডিয়েন্ট এবং স্কিনের জন্য বেশ জেন্টল। এটি স্কিন ব্রাইট করার পাশাপাশি ত্বকের পিগমেন্টেশন কমায়, যে কোনো স্পটস, একনে স্কারস অথবা পোস্ট ব্লেমিশ রেডনেস কমায় এবং ত্বকে একটি ইভেন কমপ্লেকশন আনতে সাহায্য করে।

Ampoule 2

গ্লুটাথিওন

এই অ্যাম্পুলের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে গ্লুটাথিওন। স্কিন টোন ফেয়ার করতে সেইফ আরেকটি ইনগ্রেডিয়েন্ট গ্লুটাথিওনের নাম আমরা কমবেশি সবাই শুনেছি। গ্লুটাথিওন এক ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহে স্বাভাবিকভাবেই থাকে এবং লিভার দ্বারা উৎপাদিত হয়। ন্যাচারালিই বডিতে তৈরি হওয়ায় একে ‘মাদার অফ অল অ্যান্টি অক্সিডেন্ট’ বলা হয়। গ্লুটাথিওন মূলত আলফা আরবিউটিন, ভিটামিন সি সহ অন্যান্য আরও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের মতোই স্কিনের মেলানিন প্রোডাকশনকে কমিয়ে স্কিনকে ব্রাইট করে। এজন্যই স্কিন কিছুটা সান সেন্সিটিভ হয়। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা মাস্ট।

অনেকেই ভাবেন, গ্লুটাথিওন ইউজ করা সেইফ কিনা। একটা জিনিস অবশ্যই মনে রাখতে হবে, ওরালি গ্লুটাথিওন নেওয়া আর টপিক্যালি গ্লুটাথিওন ব্যবহার করা কিন্তু এক কথা নয়। টপিক্যাল গ্লুটাথিওন ইউজ করা সেইফ, যদি কনসেনট্রেশন সেইফ থাকে।

অন্যান্য ইনগ্রেডিয়েন্ট

প্রধান দুই উপাদানের পাশাপাশি ডার্মালজিকা ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল এ আরও বেশ কয়েকটি ইনগ্রেডিয়েন্ট আছে। এই উপাদানগুলো যে কাজ করে-

Butylene glycol- স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টে এই ইনগ্রেডিয়েন্টটি থাকা খুবই জরুরি। এতে উপস্থিত ময়েশ্চারাইজিং প্রোপার্টিজের কারণে স্কিন স্মুথ ও ময়েশ্চারাইজড থাকে।

Ampoule massage

Glycyrrhiza uralensis- এই নামটি পরিচিত না হলেও লিকোরিস গাছের নাম আমরা অনেকেই জানি। এটি মূলত লিকোরিসের বৈজ্ঞানিক নাম। লিকোরিসে আছে লিকুইরিটিন নামক একটিভ কম্পাউন্ড যা ত্বকের অতিরিক্ত মেলানিনকে কমায় এবং নতুন ডার্ক স্পট ফর্মেশন থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এর ফলে ত্বক হয়ে ওঠে ফর্সা ও দীপ্তিময়।

Tranexamic Acid- ট্রানেক্সামিক এসিড মেলানিন প্রোডাকশনকে কমিয়ে দেয়। স্কিন পিগমেন্টেশন এর মূল কারণ এই মেলানিন। মেলানিন প্রোডাকশন কমে যাওয়ার কারণে স্কিন হয়ে ওঠে আরও ফেয়ার এবং হোয়াইট। অ্যাম্পুলে এই উপাদান থাকার অর্থই হচ্ছে এটি ত্বককে ফেয়ার করার জন্য কাজ করছে। তবে হ্যাঁ, অ্যাম্পুল ব্যবহারের সময় অবশ্যই দিনের বেলায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর এর কার্যকারিতা বোঝা যায়। অর্থাৎ নিয়মিত ব্যবহার করলে প্রায় দুই মাস পর পর অ্যাম্পুলের ফলাফল নজরে আসবে।

Sodium hyaluronate- এই উপাদানটি স্কিনকে হাইড্রেট করে ময়েশ্চারাইজড রাখে, রিংকেলের সমস্যা কমায়, স্কিনে কোনো জ্বালাপোড়া থাকলে আরাম মেলে। অ্যাম্পুলে এই উপাদানটি থাকায় ত্বকের এসব সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসে।

Ampoule 3

কেন বেছে নিয়েছি ডার্মালজিকা ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল?  

আমরা যখন কোনো প্রোডাক্ট ব্যবহার করি তখন শুধু উপাদানগুলোর সম্পর্কে জানি। কিন্তু কোন উপাদান কতটুকু আছে, সে সম্পর্কে তেমন ধারণা থাকে না। কিন্তু এই অ্যাম্পুল ব্যবহারের আগেই আমি জানি এতে ০.৩% গ্লুটাথিওন ও ২% আলফা আরবিউটিন আছে। আর এই পরিমাণটিও আমার ত্বকের জন্য নিরাপদ। গ্লুটাথিওনের সাথে আলফা আরবিউটিন থাকায় এটি ত্বকে দ্রুত কাজ করে। বিভিন্ন উপাদানের উপকারিতা ও পরিমাণই মূলত আমাকে এই অ্যাম্পুলটি বেছে নিতে আগ্রহী করেছে।

অ্যাম্পুলের বক্সে কী কী আছে এবং কীভাবে ব্যবহার করবেন? 

যে কোনো প্রোডাক্টের ক্ষেত্রেই প্যাকেজিং দেখে ভালো লাগলে ব্যবহার করার ইচ্ছেটাও বাড়ে। এই অ্যাম্পুলের প্যাকেজিংটাও ঠিক এরকম। প্রথমেই হালকা গোলাপি রঙের অ্যাম্পুলের বক্সটি হাতে নিয়েই আপনার ভালো লাগবে। এতে আরও যা যা পাচ্ছেন-

  • অ্যাম্পুলের প্যাকেটের ভেতর ছোট ছোট ৭টি কাঁচের বোতল অর্থাৎ অ্যাম্পুল আছে
  • প্রত্যেকটি অ্যাম্পুলে আছে ৩ মি.লি লিকুইড
  • অ্যাম্পুল খোলার জন্য আছে অ্যাম্পুল ওপেনার এবং একটি ডিসপেন্সার ক্যাপ
  • একটি অ্যাম্পুল দুইদিন সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ ৭টি অ্যাম্পুল ১৪ দিন ইউজ করা যায়

Ampoule 4

যেভাবে ব্যবহার করবেন

১) সাবধানে প্যাকেট থেকে বের করুন। যেহেতু কাঁচের বোতল, তাই যেন ভেঙে না যায় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

২) অ্যাম্পুল বের করে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন।

৩) প্যাকেটের এক পাশে রাখা ডিসপেন্সার ক্যাপটি নিয়ে সাবধানে অ্যাম্পুলের উপরের অংশে লাগিয়ে নিন। ক্যাপসহ হালকা চাপ দিলেই অ্যাম্পুলটি ভেঙে যাবে। হাত সোজা রেখে ভাঙতে হবে যেন নিচে পড়ে না যায়।

৪) হাতের তালুতে অর্ধেক পরিমাণ এসেন্স ঢেলে নিয়ে পুরো মুখে এবং গলায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে।

৫) এতে আলাদা কোনো ঘ্রাণ নেই। সাথে খুব বেশি পিচ্ছিলও নয়। তাই অল্প সময়েই ত্বকে ভালোভাবে অ্যাবজর্ব হয়ে যাবে।

ডার্মালজিকা ডাবল হোয়াইটেনিং অ্যাম্পুল নিয়ে আরও কিছু তথ্য

১। মেলানিন প্রোডাকশন কমিয়ে গ্লুটাথিওন ও আলফা আরবিউটিন উপাদান দুটো স্কিনের উজ্জ্বলতা ফেরায়।

২। একেকজনের মেটাবলিজম ও ওজন একেকরকম। কারও কারও স্কিনে এটি দ্রুত কাজ করে, আবার কারও কিছুটা সময় লাগে। এর পুরোটাই নির্ভর করে তার শরীর কীভাবে এটিকে অ্যাবজর্ব করছে তার উপর।

৩। স্কিনে এই অ্যাম্পুল ব্যবহার করা একদম নিরাপদ।

৪। প্রেগনেন্ট ও ব্রেস্টফিডিং করান এমন নারীদের স্কিন কেয়ারে অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। তাই এ সময়টুকুতে অ্যাম্পুল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫। ২০+ বয়সী ছেলে মেয়ে সবাই স্কিন কেয়ারে এই অ্যাম্পুল ব্যবহার করতে পারবেন।

৬। বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন মাস্ট ফলো করতে হবে। দিনের বেলা কোনোভাবেই সান প্রোটেকশন মিস করা যাবে না। এ জন্য সানস্ক্রিন মাস্ট।

৭। স্কিন টাইপ ও কার্যক্ষমতা একেকজনের একেক রকম হয়। তাই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে কারো কারো আরও বেশি সময়ও লাগতে পারে।

স্কিন কেয়ারে যে স্টেপগুলো মেনে চলতে হবে

শুধু রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যাম্পুল ব্যবহার করলেই সঠিক ফল পাওয়া যাবে না। এ জন্য আপনাকে একটি স্কিন কেয়ার রুটিন মেনটেইন করতে হবে। আর রুটিনটা হবে এমন-

১। প্রথমে ক্লেনজিং অয়েল বা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে ডাবল ক্লেনজিং করতে হবে।

২। এরপর ফেইস ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে টোনার ব্যবহার করতে হবে। টোনার স্কিনের pH ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৩। টোনার দেওয়ার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অ্যাম্পুলটি ব্যবহার করতে হবে।

৪। পরবর্তী ধাপে রেগুলার কোনো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। স্কিনের ময়েশ্চার ধরে রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজারগুলো বেশ ভালো কাজ করে। আর দিনের বেলায় অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

৫। রাতের বেলা স্কিন কেয়ারে অ্যাম্পুল ব্যবহার করুন, সারারাত এটি আপনার স্কিনে কাজ করার সুযোগ পাবে।

সতর্কতা

  • সূর্যের আলো কিংবা সরাসরি তাপ থেকে দূরে রাখুন
  • ঠান্ডা ও শীতল স্থানে সংরক্ষণ করুন
  • অবশ্যই শিশুদের হাতের নাগালের বাহিরে রাখুন
  • শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য

কোথায় পাবেন? 

এই অ্যাম্পুলসহ সেলফ কেয়ারের যে কোনো অথেনটিক প্রোডাক্ট কিনতে চাইলে সাজগোজের চারটি ফিজিক্যাল শপ ভিজিট করতে পারেন। শপগুলো যমুনা ফিউচার পার্ক, সীমান্ত সম্ভার, বেইলি রোডের ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টার এবং উত্তরার পদ্মনগর (জমজম টাওয়ারের বিপরীতে) এ অবস্থিত। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে শপ.সাজগোজ.কম থেকে কিনতে পারেন।

ছবিঃ সাজগোজ

19 I like it
3 I don't like it
পরবর্তী পোস্ট লোড করা হচ্ছে...