কফি পান করতে কে না ভালোবাসে? ক্লান্তি দূর করে নিমিষেই আপনার মেজাজকে ফুরফুরে করে তুলতে পারে এক কাপ কফি। তবে সৌন্দর্য চর্চায়ও কফির ব্যবহার কিছু কম নয়। ত্বক এবং চুলের যত্নে কফির কিছু দারুণ কার্যকরী ব্যবহার হয়েছে। চলুন তাহলে দেখে নেই, ত্বক ও চুলের যত্নে কফির ব্যবহার সম্পর্কে।
কফিতে থাকা অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ব্রণ এবং মেছতার দাগ দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ২ চা চামচ কফির সাথে ১ চা চামচ মধু ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ত্বক এবং চুলের যত্নে কফির ব্যবহার
ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে
ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে কফি খুবই ভালো একটি উপাদান। কফি দিয়ে তৈরি স্ক্রাব ত্বকের ডেডসেল দূর করতে খুবই উপযোগী। কফি স্ক্রাব তৈরির জন্য একটি বাটিতে ২/৩ চামচ কফি নিয়ে নিন। এতে ১/২ চামচ ব্রাউন সুগার এবং অল্প পরিমাণ মধু কিংবা এলমান্ড অয়েল মিশিয়ে নেই।প্যাকটি তৈরি হয়ে গেলে আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা তো বাড়বেই সাথে ত্বক থাকবে সজীব।
ত্বক পরিস্কার করতে
১ চা চামচ কফির সাথে ১ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এবার কিছুক্ষণ মুখে রেখে দিন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বক পরিস্কার করতে সাহায্য করবে।চোখের ফোলা ভাব ও কালো দাগ দূর করতে
চোখের ফোলা ভাব ও কালো দাগ দূর করতে কফি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। হাফ কাফ পানিতে ১ চা চামচ কফি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা চোখের পাতায় ও চোখের নিচে দিয়ে রাখুন চোখ বন্ধ করে। ৫ মিনিট পর তুলা ভিজিয়ে তুলে ফেলুন এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চোখের ফোলা ভাব কমবে ও চোখের নিচে কালো দাগ দূর হবে।
ব্রণ দূর করতে
কফিতে থাকা অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ব্রণ এবং মেছতার দাগ দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ২ চা চামচ কফির সাথে ১ চা চামচ মধু ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ময়েশ্চারাইজারের কাজ
প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কফি খুব দারুণভাবে কাজ করে। ২ চা চামচ কফির সাথে ২ চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে কোমল ও উজ্জ্বল করবে।







