স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার পরীক্ষা ও প্রতিরোধ কিভাবে করবেন? (পর্ব ০৩) স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার পরীক্ষা ও প্রতিরোধ কিভাবে করবেন? (পর্ব ০৩)

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার পরীক্ষা ও প্রতিরোধ কিভাবে করবেন? (পর্ব ০৩)

নভেম্বর ৫, ২০১৬

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার পৃথিবীজুড়ে মেয়েদের সবচেয়ে বড় ঘাতকের নাম। প্রতি বছর সারা পৃথিবী জুড়ে প্রায় দেড় থেকে দুই মিলিওন (১৫-২০ লক্ষ!) নতুন স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার এর রোগী পাওয়া যায়, যার মধ্যে ৫-৭ লাখ মারা যায় স্তন ক্যান্সারের কারণে। তবে এই রোগটি নিয়ে  সচেতনতার পাশাপাশি অনেক অহেতুক ভীতিও ছড়ানো হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়  (সূত্র: ইন্টারনেট) থেকে যে যা পারছে তুলে দেয়া হচ্ছে। এটি আসলেই খুব দুঃখজনক এবং অনেক জায়গায় দেখলাম নিজে নিজে স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে সুবিধার জন্য রেগুলার সেলফ এক্সামের উপর জোর দিচ্ছে।

অক্টোবর ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতার মাস। সাজগোজের সব সময়ই প্রয়াস থাকে  তার বন্ধুদের সঠিক এবং বিশ্বস্ত তথ্যটি পৌঁছে দিতে। স্তন ক্যান্সার গবেষক, ক্যালগেরিতে পি,এইচ,ডি প্রাপ্ত  শান্তনু বণিক এই রোগ নিয়ে তার গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্য এবং স্তন ক্যান্সার নিয়ে ভ্রান্তিমূলক ধারণাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। গত কয়েকটি পর্বে আমরা স্তন ক্যান্সারের কারণ নির্ণয় ইত্যাদি বিষয়ে জেনেছি। আজ আমরা জানব, স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ের ব্যবস্থা, সেলফ এক্সাম এবং প্রতিরোধের উপায়  সম্পর্কে।

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরার ব্যবস্থাগুলো কী কী?

ম্যামোগ্রাম

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরার সবচেয়ে কার্যকরী এবং সহজলভ্য ব্যবস্থা হচ্ছে ম্যামোগ্রাম। ম্যামোগ্রাম মানে হচ্ছে বিশেষ কায়দায় তোলা স্তনের এক্সরে। প্রতিটা স্তনের জন্য দুইভাবে দুইটা এঙ্গেল থেকে এক্সরে করা হয় যেন কোন কিছু মিস না যায়।

আল্ট্রাসাউন্ড

যদি অনেক ঘন বা শক্ত স্তন হয় তখন এর সাথে আল্ট্রাসাউন্ডও করা যেতে পারে। আল্ট্রাসাউন্ড সাধারণ ফ্লুইডপূর্ণ টিউমার/থলে/পিন্ড বা সিস্ট এবং বিনাইন নাকি ম্যালিগনেন্ট চিনতে সাহায্য করে।

এম.আর.আই

ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরতে অনেক সময় (বিশেষত অল্প বয়সীদের) এম.আর.আই করানো হয়। এম.আর.আই অনেক কার্যকরী ইমেজিং ব্যবস্থা হলেও স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ম্যামোগ্রামকে বাদ দিয়ে নয় বরং ম্যামোগ্রামের পাশাপাশি করাতে রেকমেন্ড করা হয়। এছাড়া আছে সি,টি স্ক্যান।

ম্যামোগ্রাম নিয়ে কিছু কথা

ম্যামোগ্রাম মানে এক্সরে। এক্সরে মানে রেডিয়েশন। একারণে নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করাতে হলে রেডিয়েশন রিস্কও বিবেচনায় নেয়া হয়। এজন্য ৪৫ এর আগে নিয়মিত করানো হয় না। আর সিটি স্ক্যান একান্ত উপায় না থাকলে যতটা সম্ভব এভয়েড করাই ভালো (বিশেষত অল্প বয়সে)। সুখের বিষয়, দিন দিন ম্যামোগ্রাফিক এক্সরের রেডিয়েশন কমে এসেছে, এক্ষণ প্রায় একটা ম্যামোগ্রামের যে রেডিয়েশন, এক-দুই ঘণ্টা প্লেনে চড়লেও কাছাকাছি রেডিয়েশন। আর শুধুমাত্র স্তন ক্যান্সারের জন্য সি,টি স্ক্যানের বিকল্প হিসাবে অনেক অনেক কম রেডিয়েশনের “ব্রেস্ট টোমোসিন্থেসিস” করা শুরু হয়েছে। এছাড়াও মাইক্রোওয়েভ ইমেজিং, হিট ইমেজিং, ইলাস্টিসিটি ইমেজিং, ইম্পিডেন্স ইমেজিং ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা চলছে।

ম্যামোগ্রামের একটা সমস্যা হচ্ছে ৪০ এর আগে ম্যামোগ্রাম এর কার্যকারিতা কিছুটা কম। এছাড়া এ সময় ফ্যাটি টিস্যু কম থাকে ও ঘনত্ব বেশি থাকে। এজন্য ৪০ এর আগে ম্যামোগ্রাম ছাড়াও অন্যান্য উপায় ব্যবহার করতে হয়।

ম্যামোগ্রামে রেডিওলজিস্টরা  সাধারণত ক্যান্সারের যেসব চিহ্ন খুঁজেন তা হচ্ছে

১) মাইক্রো ক্যালসিফিকেশন (অনেক গুলো খুব ছোট ছোট ক্যালসিয়াম এর চিহ্ন), বয়স বাড়লে সাধারণত স্তনে স্বাভাবিকভাবেই ক্যালসিয়াম জমা হয় (এদের বলে ক্যালসিফিকেশন, নরমাল); কিন্তু মাইক্রো ক্যালসিফিকেশনের ক্লাস্টার/বসতি একটা রেড ফ্ল্যাগ।

২) মাস/ভরপিন্ড বা লাম্প বা চাকা বা পিণ্ড (এর এপিয়ারেন্স, বিস্তৃতি ইত্যাদি বিবেচনা করে ডাক্তাররা অনুমান করার চেষ্টা করেন সেটা বিনাইন নাকি ম্যালিগনেন্ট)

৩) দুই স্তনের অসাম্যতা (বাইল্যাটেরাল এসিমিট্রি)  কারোই দুই স্তন পুরোপুরি এক রকম না। কিন্তু তার পরও পাশাপাশি দুই স্তনের মধ্যে তুলনা করে গঠন, প্রকৃতি, ঘনত্ব, বিন্যাসে পার্থক্য পাওয়া গেলে ডাক্তাররা তখন সন্দেহ করেন।

৪) গঠন বিন্যাসের বিকৃতি (স্তন ক্যান্সারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং খুবই প্রাথমিক চিহ্ন যা ক্যান্সার শুরু হবার বেশ আগেও দেখা দিতে পারে এবং যা প্রায় ৪৫% ক্ষেত্রেই রেডিওলজিস্টরা ধরতে ব্যর্থ হন। (প্রাসঙ্গিকভাবে বলি, আমার গবেষণা ছিল ক্যান্সার ধরা পড়ার আগের ম্যামোগ্রামগুলোতে কম্পিউটারের মাধ্যমে এই চিহ্ন সনাক্ত করা এবং আমরা দেখিয়েছিলাম, ক্যান্সার ধরা পড়ার গড়ে প্রায় ১৫ মাস আগে কম্পিউটারের মাধ্যমে এই চিহ্ন ধরা সম্ভব যা রেডিওলজিস্টরা ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন!)

৫) আর সব রকমের ইমেজিং বা স্ক্রিনিং করার পর নিশ্চিত হবার জন্য করা হয় বায়োপসি। সুঁইয়ের মাধ্যমে ছিদ্র করে কিছু স্যাম্পল আনা হয় এবং ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করে বোঝা যায় সেটা ক্যান্সার কি না বা কোন ধরনের ক্যান্সার।

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার সেলফ এক্সাম কীভাবে করবেন?

এ বিষয়ে ইন্টারনেটে এবং ডাক্তারদের কাছে বিভিন্ন রকম লিফলেট পাবেন- কীভাবে সেলফ এক্সাম করতে হবে। মাসে অন্তত একদিন, শুয়ে একবার, আয়নার সামনে আবার, স্নান করার সময় ভেজা শরীরে একবার করে সেলফ এক্সাম করতে হবে। মনোযোগ দিয়ে সামান্যতম পরিবর্তনও বোঝার চেষ্টা করতে হবে, এবং বিশেষত বুকের দেয়ালের কাছে ও বগলের কাছাকাছি কিছু আছে কি না সেটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। সব বয়সের মেয়েদের জন্যই এই পরীক্ষা প্রযোজ্য।

যে বিষয়গুলো খেয়াল করতে হবে সেগুলো মনে করিয়ে দিচ্ছি-

১)  স্তন শেষ বারের মত একই আকার, আকৃতি, রঙ, গড়ন আছে কি না?

 ২)  কোন রকম ফোলা, লাল, র‍্যাশ, গরম অনুভূতি, বিকৃতি, ভিন্ন আকৃতি দেখা যায় কি না?

 ৩)  দুই স্তন তুলনামূলক একই রকম কি না?

৪) কোন রকম টোল, চামড়া কুঁচকানো বা কোন অংশে চামড়ার কোন পরিবর্তন দেখা যায় কি না?

৫)  নিপলের অবস্থান, আকার, আকৃতি পরিবর্তিত মনে হচ্ছে কি না? নিপল ভিতরে ঢুকে গেছে কি না?  

৬)  চাপ দিলে বা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাত উঁচু করলে কোন রকম ফ্লুইড, জল, বা রক্ত বের হয় কি না?

৭) শুয়ে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা ভেজা শরীরে স্নান করার সময় নানা রকমভাবে উপর-নিচে, বৃত্তাকারে, ডানে-বামে ইত্যাদি ডিরেকশনে সম্পূর্ণ স্তন পরীক্ষা করে নতুন কিছু পাওয়া যায় কি না বা অনুভব করা যায় কি না?

স্তন ক্যান্সারের প্রায় ২০-২৫ রকমের গ্রুপ-সাবগ্রুপ আছে। স্টেজিং, বয়স, রোগীর অবস্থা, কোন ধরনের চিকিৎসা কার্যকরী হতে পারে, মেটাস্টাসিস, এবং কোন গ্রুপের ক্যান্সার বা টিউমার তার উপর ভিত্তি করে রোগীর চিকিৎসা করা হয়। যদি বাঁচার আশা না থাকে তাহলে অনেক সময় বাঁচার সময় বাড়ানোর জন্য চিকিৎসা করা হয় অথবা একেবারেই কিছু করা হয় না।

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার চিকিৎসা সাধারণত তিন রকমভাবে করা হয়ে থাকে –

১) সিস্টেমিক থেরাপি; কেমো থেরাপি, হরমোন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি

২) রেডিয়েশন থেরাপি

৩) সার্জারি

কেমো থেরাপি

কেমো থেরাপি মানে হচ্ছে ঔষধের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করার চেষ্টা। এতে সুস্থ কোষও মারা যায় এবং  ভয়াবহ সাইড এফেক্টের কারণে কেমো থেরাপি রোগীদের জন্য অনেক কষ্টকর হয়। টিউমার যদি এস্ট্রজেন/প্রজেস্টোরন হরমোন পজিটিভ হয় তাহলে হরমোন থেরাপি ব্যবহার করা হয়। ক্যান্সার কোষ অনেক সময় হরমোনের সাপ্লাই এর উপর ভিত্তি করে বাড়তে থাকে, সেটাকে হরমোন থেরাপির মাধ্যমে ব্লক করে টিউমারের বৃদ্ধি ঠেকানো হয়।  টার্গেটেড থেরাপিতে শুধু ক্যান্সারের জীন, টিস্যু বা প্রোটিনকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়।

রেডিয়েশন থেরাপি ও সার্জারি

অন্য অনেক ক্যান্সারের মত ব্রেস্ট ক্যান্সারও ফিরে আসতে পারে একাধিক বার। সেজন্য উপরের থেরাপিগুলোর কয়েকটা মিলিয়েও চিকিৎসা করা হয়। সার্জারি করা সম্ভব হলে খুবই ভাল, কিন্তু অনেক সময় টিউমারের অবস্থান ও আকৃতি-প্রকৃতির কারণে সার্জারি করা সম্ভব হয় না। তখন রেডিয়েশন বা সিস্টেমিক থেরাপির মাধ্যমে টিউমারকে ছোট করে আনা হয় এবং সার্জারি করা হয়। অনেক সময় সার্জারির পরও কেমো/রেডিয়েশন দেয়া হয় যেন ক্যান্সার আর ফিরে আসতে না পারে। সার্জারি করে ক্যানসার /স্তনের কিছু অংশ সরানোর পর রোগী চাইলে এবং সামর্থ্য থাকলে অনেক সময় রিকন্সট্রাক্টিভ বা প্লাস্টিক সার্জারি করা হয়।

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা কি সম্ভব? এই কাজটি এখনও সম্ভব হয়নি। যাদের রিস্ক ফ্যাক্টর অত্যধিক বেশি তারা ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিতে পারেন কিছু। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় – নায়িকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ব্রেস্ট রিমুভ করানো। এটা সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা দেয় না। তবে রিস্ক ফ্যাক্টর কিছুটা কমাতে পারে।  হরমোন থেরাপি, সার্জারিসহ কিছু ব্যবস্থা নেয়া যায় রিস্ক ফ্যাক্টর অনেক বেশি হলে।

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে কিছু করনীয়

১) মেদ দূর করা

২) নিয়মিত পরিশ্রম করা, সপ্তাহে নিদেনপক্ষে এক-দুই ঘণ্টা নিয়মিত দৌড়-ঝাঁপ-সাঁতার করা

৩) মদ-সিগারেট না খাওয়া

৪) স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা, পরিমিত খাবার খাওয়া ও ঘুমানো, একটু বয়স হলে লাল মাংস কম খাওয়া

৫) সেক্সুয়ালি একটিভ থাকা, নিয়মিত সুস্থ যৌন মিলন নারী-পুরুষ দুজনকেই অনেক অসুখ থেকে সুরক্ষা দেয়

৬) বাচ্চা হবার পর সম্ভব হলে ব্রেস্ট ফিডিং করানো

৭) ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা। আমাদের দেশে অন্তঃপুরবাসিনী মেয়েদের বেশিরভাগই ভয়াবহ ভিটামিন ডি এর স্বল্পতায়  ভুগেন। ভিটামিন ডি আমাদের ইমিউনিটি ব্যবস্থাকে শক্ত করে (অনেকেই একে ভিটামিন না বলে হরমোন বলে থাকেন এর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে) এবং শরীরের সুস্থতা ও হাজারো রোগ থেকে প্রতিরক্ষার জন্য জরুরি।

৮) রেডিয়েশন থেকে দূরে থাকা, অল্প বয়সে সিটি স্ক্যান একদমই না করানো (সম্ভব্য হলে) এবং যথাসম্ভব এক্সরে কম করানো

৯) প্রতি বছর ক্লিনিকাল এক্সাম, সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্যাপ-স্মিয়ার টেস্ট করানো

১০) প্রতি মাসে অন্তত একবার খুব সাবধানে সময় নিয়ে স্তনের সেলফ এক্সাম করা এবং সামান্যতম পরিবর্তন মনে হলেও এক মুহূর্ত দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

১১) ৪৫ এর পর প্রতি দুই বছরে অন্তত একবার ম্যামোগ্রাম করানো (যদি সামর্থ্য থাকে)

স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে মূল ব্যাপার হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব ধরা পড়া, সেজন্য সতর্ক থাকার পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা করানোটা জরুরি। যত তাড়াতাড়ি ধরা যাবে বাঁচার সম্ভাবনা তত বাড়বে। এজন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। সেই সচেতনতা নারীপুরুষ-সমাজ-সরকার সবার জন্য জরুরি।

লিখেছেন – শান্তনু বণিক, পি,এইচ,ডি   (প্রাক্তন)

স্তন ক্যান্সার গবেষক, ক্যালগেরি

বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে স্তন ক্যান্সার: কিছু ভ্রান্তিমূলক ধারণা (পর্ব ০১)

বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে স্তন ক্যান্সার: কেন হয়? রকমফের এবং নির্ণয়ের উপায় (পর্ব ০২)