খাদ্য ও স্বাস্থ্য, রান্নাবান্না, সুস্বাস্থ্য

স্ন্যাকস হিসেবে কী খাচ্ছেন?

যা খাচ্ছেন তা আপনার ক্ষুধা নিবারণ করছে ঠিকই কিন্তু সেটা আপনার সাস্থ্যের জন্য উপকারী তো? নাকি উল্টো ক্ষতিই হচ্ছে আপনার সাস্থ্যের? তাই আপনার সাস্থ্য ঠিক রাখতে চাইলে স্ন্যাকস হিসেবে পুষ্টিকর খাবার খান।

আমি আমার পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার গল্পটা বলি। মানে আমার যে কারণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া হয় আর কি। আমার বাসা থেকে ইউনিভার্সিটি এর দূরত্বটা অনেক বেশি। প্রতিদিন আমাকে বাসে করে অনেক পথ যেতে হয়। আর ঢাকা শহরের জ্যামের কথা তো আপনারা সকলেই জানেন। মাঝে মাঝে ২/৩ ঘন্টাও লেগে যায় শুধুমাত্র যেতেই। বাসে বসে থাকলে তাও আবার জ্যামে শরীরের অনেক এনার্জি লস হয়। মন মেজাজও ভালো থাকে না। তাই প্রতিদিনই আমার মা আমাকে স্ন্যাকস হিসেবে প্রোটিন জাতীয় খাবার দিতে চেষ্টা করেন। এতে করে আমার শরীরও ঠিক থাকে আর প্রতিদিন যাওয়ার জন্য যে এনার্জিটা দরকার হয় তা আমি পাই।

আমি যে খাবারগুলো স্ন্যাকস এ খাই সেইগুলোর লিস্ট দেখে নিই আসুন তাহলে-

(১) এক গ্লাস দুধ- দুধ একটি আদর্শ খাবার এটা আমরা সকলেই জানি। দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ , বি এবং ডি। সুসাস্থের জন্য দুধ একটি প্রয়োজনীয় খাবার। সুতরাং আপনারা প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ পান করতে পারেন।

(২) টক দই- টক দই খাঁটি দুধজাতীয় খাবার। টক দইও সাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। স্বাদের জন্য চাইলে কিছু নাটস অথবা ডার্ক চকোলেট মিশিয়ে নিতে পারি। এতে আপনার খেতেও ভালো লাগবে এবং সাস্থ্যের জন্যও ভালো।

(৩) নাটস- পৃথিবীর কিছু পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে নাটস একটি। এটি অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার এবং সবার জন্য।

(৪) আপেল এবং পিনাট বাটার- আপেল স্লাইস করে কেটে তার মধ্যে পিনাট বাটার লাগিয়ে খেতেব পারেন। এই খাবার ও সাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

(৫) হার্ড বয়েল্ড ডিম- একটি হার্ড বয়েল্ড ডিম এ রয়েছে ৬ গ্রাম প্রোটিন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটাও সাস্থ্যের জন্য একটি উপকারী খাবার।

(৬) হাই প্রোটিন ফ্রুট ডিপ- এই ফ্রুট ডিপ আপেল, কলা, আঙ্গুর, আনারস অথবা আপনার পছন্দের যেকোন ফল দিয়ে আপনি বানিয়ে নিতে পারেন।

(৭) কলার সাথে পিনাট বাটার- কলার সাথেও পিনাট বাটার মিশিয়ে একটি পুষ্টিকর স্ন্যাকস বানানো যায়। যেটায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে।

(৮) চেরি উইথ পনির- পনিরে যে শুধুমাত্র প্রোটিন আছে শুধু তাই না, এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য আপনারা সাথে চেরি নিতে পারেন।  সুতরাং আমরা হাই প্রোটিন স্ন্যাকস হিসেবে সহজেই খেতে পারেন।

শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটিতে যেতেই শরীর ঠিক রাখা জরুরি তা নয়। অনেকেই সারাদিন অফিসে কাজ করেন কিংবা বাসার কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার জন্য আপনার শরীর ঠিক রাখাটা অনেক বেশি জরুরি নয় কি? তাই স্ন্যাকস এ পুষ্টিকর খাবার খান। এবং শরীরকে রাখেন সুস্থ্য সুন্দর। শরীর ভালোতো তো মনও ভালো জানেন তো?

সুতরাং  স্ন্যাকস এ খান পুষ্টিকর খাবার এবং  নিজেকে রাখুন সুস্থ্য সুস্থ্য, সুন্দর এবং ফিট।

ছবি – হেলদিমাম্মি ডট কম

লিখেছেন – আনিন্তা আফসানা

Comments

comments

Recommended