প্রসাধনী সম্পর্কে, মেকাপ, মেকাপ

ব্রোঞ্জার ব্যবহারের কিছু টিপস!

বর্তমান সময়ে মেকাপে ব্রোঞ্জার শব্দটি অতি পরিচিত। মেকাপ লাভারদের কাছে ব্রোঞ্জার নামক মেকাপ প্রোডাক্টটি অনেক বেশী জনপ্রিয়। ব্রোঞ্জার সাধারণত দিনের বেলা ন্যাচারাল মেকাপের জন্যে ব্যবহার করা হয়। ব্রোঞ্জার গুলোতে হালকা শিমার থাকে যা আমাদের ফেইস এ একটা সান-কিসড লুক দেয় এবং ফেইস এ হালকা কন্ট্যুর এর ভাব আনে। যা দেখতে অনেক আকর্ষনীয় লাগে। যারা দিনের বেলা কন্ট্যুরিং পছন্দ করেন না, চোখ বন্ধ করে ব্রোঞ্জার ব্যবহার করেই সুন্দর এবং ন্যাচারাল লুক পেতে পারেন। ব্রোঞ্জার সাধারণত কন্ট্যুরিং এড়িয়া গুলোতে ব্যবহার করা হয়।

(১) ব্রোঞ্জার কেনার সময় সবসময় স্কিন কালার, টোন বুঝে কিনতে হবে। স্কিনের থেকে ১-২ শেড ডার্ক কালার ব্রোঞ্জার কিনতে হবে। বেশি লাইট শেডের ব্রোঞ্জার ব্যবহার করলে তা ফেইস এ ভালোভাবে বোঝা যাবে না এবং বেশি ডার্ক কালারের ব্যবহারে ফেইস দেখতে বাজে লাগবে।

(২) ব্রোঞ্জার ব্যবহারে স্কিন টাইপের কথা মাথায় রাখতে হবে। আপনার যদি নরমাল অথবা অয়েলি স্কিন হয়, তাহলে ব্যবহার করুন পাউডার ব্রোঞ্জার। ড্রাই স্কিন হলে ক্রিম বেইস ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন।

(৩) সবসময় ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর, তা পাউডার দিয়ে সেট করে তারপর ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন। এটি আপনার ব্রোঞ্জার পাউডার ভালোভাবে ব্লেন্ড হতে সাহায্য করবে। ফাউন্ডেশন এর পর পাউডার ব্যবহার না করে ব্রোঞ্জার ব্যবহার করলে তা ব্লেন্ড করতে অনেক বেশি কষ্ট হবে।

(৪) সবসময় ব্রোঞ্জার ব্যবহারের সময় ব্রাশের দিকে খেয়াল রাখুন। অনেক বড় অথবা অনেক ছোট ধরণের ব্রাশ দিয়ে ব্রোঞ্জার ব্যবহারের চেষ্টা করবেন না। এতে ব্রোঞ্জারের ব্যবহার সুন্দরভাবে হবে না। ব্রোঞ্জার ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করুন ব্রোঞ্জার ব্রাশ / এঙ্গেলড ব্রাশ। এগুলো ব্রোঞ্জার ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়, যা আপনার ব্রোঞ্জারকে ফেইস এ পারফেক্টভাবে ব্যবহারে সাহায্য করে।

(৫) ব্রোঞ্জার কেনার আগে খেয়াল রাখবেন, সেটি যেন অতিরিক্ত শিমারী না হয়। অতিরিক্ত শিমার ফেইস এ ব্যবহার করলে তা দেখতে মোটেও ভালো লাগবে না।

(৬) ফেইস এর যে সব স্থানে আমরা কন্টুরিং করে থাকি, বিশেষ করে ওই সব স্থানেই ব্রোঞ্জার ব্যবহার করতে হয়। ব্রোঞ্জার পাউডার ব্রোঞ্জার ব্রাশে নিয়ে আমাদের চিক বোনের নিচের দিকে, কপালে হেয়ার লাইনের দিকে, থুতনির নিচে ব্রোঞ্জার লাগাতে হবে এবং ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। খেয়ার রাখতে হবে, ব্রোঞ্জার যাতে চারদিকে অতিরিক্ত ছড়িয়ে না যায়।

(৭) অনেকে ফেইস এ অতিরিক্ত ব্রোঞ্জার ব্যবহার করে ফেলে। যা দেখতে খুব একটা ভালো লাগে না। ব্রোঞ্জার সবসময় পরিমাণ মতো ব্যবহার করলেই তা দেখতে ভালো লাগে।

(৮) পারফেক্ট ন্যাচারাল মেকাপের মূল শর্ত ব্লেন্ডিং। ব্রোঞ্জার ব্যবহারের পর তা অবশ্যই ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ব্লেন্ড না করলে তা দেখতে অদ্ভুত এবং হাস্যকর লাগবে।

(৯) ব্রোঞ্জার শুধুমাত্র ফেইস এ ব্যবহার না করে হালকাভাবে গলার দুই পাশে ব্যবহার করতে হবে। তাতে ফেইস এবং গলার মেকাপে মিল থাকবে।

এই তো ছিল ব্রোঞ্জার ব্যবহারের কিছু টিপস। আশা করি, টিপসগুলো আপনাদের মেকাপে ব্রোঞ্জার ব্যবহারের ক্ষেত্রে হেল্পফুল হবে।

ছবি – পিন্টারেস্ট ডট কম

লিখেছেন – জান্নাতুল মৌ

Comments

comments

Recommended